পৃথিবীর উৎপত্তি ও অভ্যন্তরভাগ ক্লাস xi উচ্চমাধ্যমিক 1st sem geography 2nd chapter
*পৃথিবীর উৎপত্তি ও অভ্যন্তরভাগ*
*পৃথিবীর উৎপত্তি*
১) Big bang theory অনুসারী যে বিশাল বিস্ফোরণ ফলে বর্তমান মহাবিশ্বের সৃষ্টি হয়েছে তা আনুমানিক
:- প্রায় ১৩৭০ কোটি বছর পূর্বে।
২) সূর্যের উপরি পৃষ্ট্রের একটি অংশ বাষ্পীয় পিণ্ড রুপে ছিটকে বেরিয়ে এসে পরবর্তীকালে পিন্ডটির বাষ্পীভবনের ফলে গ্রহদের উৎপত্তি ঘটে এই তত্ত্বটি উপস্থাপন করেন
:- জেমস জিলস ও হ্যারন্ড জেফ্রিস(1918-19)
৩) নিচের কোনটি বামুন গ্রহ
:- প্লুটো
৪) পৃথিবীর উৎপত্তি সম্পর্কে গ্যাসীয় তত্ত্বের প্রবক্তা ইমানুয়েল কান্ট হলেন
:- জার্মান দার্শনিক
৫) big bang তত্ত্বটি প্রথম প্রকাশ করেন
:- জর্জ লেমিটর
৬) পৃথিবীর উৎপত্তি সংক্রান্ত কান্ডের মতবাদটি কি নামে পরিচিত
:-গ্যাসের মতবাদ
৭)পৃথিবীর উৎপত্তি সংক্রান্ত কান্টের গ্যাসীয় মতবাদের প্রকাশিত হয়
:-১৭৫৫ খ্রিস্টাব্দে
৮)কান্টের গ্যাসীয় তত্ত্ব অনুসারে পৃথিবীর সৃষ্টির পূর্বে আদি বস্তুকণা ছিল
:-অতি শীতল ও গতিহীন
৯)মহাবিশ্ব এক অকল্পনীয় ক্ষুদ্র বিন্দু থেকে সৃষ্টি হয়েছিল তাকে সিঙ্গেল নীতি বলে কে অভিহিত করেন
:- আইনস্টাইন
১০)নিম্নলিখিত কোন তত্ত্বের নিউটনের মহাকর্ষ তত্ত্বের সার্থক প্রয়োগ লক্ষ্য করা যায়
:-গ্যাসীয় মতবাদ
১১) big bang কথাটি সর্বপ্রথম ব্যবহার করেন
:- ফ্রেড হয়েল
১২) পৃথিবীর উৎপত্তি সংক্রান্ত র্ডিনেশ ও জেফ্রিসের জোয়াড়ি জোয়ারজনিত স্ফীত মতবাদ প্রবর্তিত হয়
:- ১৯১৯ খ্রিস্টাব্দে।
১৩) পৃথিবীর উৎপত্তি সংক্রান্ত জুয়াড়ি ও জোয়ার জনিত স্ফীত মতবাদটি প্রবক্তা হলেন
:- জিনস জেফ্রিস
১৪) উৎপত্তি সংক্রান্ত নিম্নলিখিত কোন তত্ত্বটি একক তত্ত্বের উদাহরণ
:- ল্যাপলাসের নীহারিকা তত্ত্ব।
১৫) উৎপত্তি সংক্রান্ত নিম্নলিখিত কোন তত্ত্বটি দ্বি-তত্ত্বের উদাহরণ
:- র্কান্টের গ্যাসীয় মতাবাদ ।
১৬) কান্টের গ্যাসীয় তত্ত্ব অনুসারে ঘূর্ণায়মান নীহারিকার নিরক্ষীয় অংশ থেকে কতগুলি বলয়ের উৎপত্তি ঘটে
:- ৭
*পৃথিবীর অভ্যন্তরীণ ভাগ*
১৭)নিফে সীমা নামে পরিচিত হল পৃথিবীর অভ্যান্তরাল ভাগ
:- অন্তঃ গুরু মন্ডল
১৮) সর্বাপেক্ষা হালকা ভূস্তর হলো
:- শিয়াল বা মহাদেশীয় ভূস্তর।
১৯) সর্বাপেক্ষা পুরু ঘন ও ভারী ভূস্তর হল
:- কোর বা কেন্দ্র মন্ডল।
২০) দেহ তরঙ্গ ( body wave)এর উদাহরণ হল
:- s তরঙ্গ
২১) অভ্যন্তরের কোন স্তরটি স্বল্প গতিবেগ সম্পূর্ণ অঞ্চল
:- বহিঃ গুরু মন্ডল
২২) পদার্থের মধ্যে দিয়ে ক্রমাগত সংকুচিত ও প্রসারণ এর মধ্যে দিয়ে এগিয়ে চলে
:- S তরঙ্গ, P তরঙ্গ
২৩) কেন্দ্র মন্ডল গঠনকারী মূল উপাদান হল :- নিকেল ও লোহা
২৪) P তরঙ্গ প্রবাহিত হয়
:- সকাল ভূস্তরের মধ্যে দিয়ে
২৫) পৃথিবীর কোন অংশ দিয়ে এই তরঙ্গ চলাচল করতে পারে না
:- বহিঃ গুরু মন্ডল
২৬) ভূত্বক ঘটনকারী প্রধান ভৌত উপাদানটি হল
:-অক্সিজেন
২৭) ভূপৃষ্ঠ থেকে ভূকেন্দ্র পর্যন্ত পৃথিবীর গড় ব্যাসার্ধ হল
:- ৬৩৭১ কিমি
২৮)গুরুমন্ডলের প্রায় ৪১০ থেকে ৬৭০ কিমি পর্যন্ত বিস্তৃত হল
:- গলিত সাইন স্তর
২৯)বিশ্বের গভীরতম স্বর্ণ খনি পনেং যে দেশে অবস্থিত তা হল
:- দক্ষিণ আফ্রিকা
৩০)ভূত্বক বা শিলা মন্ডল এর পৃথিবীর গড় ঘনত্ব হল
:-২.৪ গ্রাম/ঘনসেমি
৩১) কেন্দ্রমণ্ডলের গড় ঘনত্ব হল
:- ১৩ গ্রাম/ ঘনসেমি
৩২)মহাসাগরীয় ভূত্বক বা সীমার গড় ঘনত্ব হল
:-২.৯ গ্ৰাম/ঘনসেমি
৩৩) গুরুমন্ডল গঠনকারী মূল উপাদান দুটি হল
:- অলিভিন ও পাইরস্বিন
৩৪)মহাসাগরীয় ভূত্বত্ব বা সীমা গঠনকারী মূল উপাদান দুটি হলো
:- সিলিকা ও ম্যাগনেসিয়াম
৩৫)পৃথিবীর কেন্দ্রে গড় উষ্ণতা হল
:- ৩১৫০ ডিগ্রি সেলসিয়াস
৩৬) কেন্দ্রমন্ডলের গভীরতা (বেধ)হল
:-৩৪৮০ কিমি
৩৭) শিলামন্ডলের গড় গভীরতা (বেধ) হল
:-৩৩ কিমি
৩৮) গুরুমন্ডলের গড় গভীরতা (বেধ) হলো
:-২৮৯১ কিমি
৩৯) মহাদেশ গুলি মূলত যে শিলায় গঠিত
:- গ্ৰানাইট
৪০) মহাসাগরীয় ভূত্বক মূলত যে শিলাই গঠিত
:- ব্যাসাল্ট
৪১) ভূপৃষ্ঠ থেকে কত কিমি গভীরে অবস্থিত
:- ৫১৫০ কিমি
৪২) পৃথিবীর মোট আয়তনের
:- ৮৩% অধিকার করে
গুরু মন্ডল
৪৩) গুরুমন্ডল পৃথিবীর মোট ভরের কত শতাংশ অধিকার করে
:- ৬৮ শতাংশ
৪৪) কেন্দ্র মন্ডল পৃথিবীর মোট আয়তনের কত শতাংশ অধিকার করে
:- ১৮%
৪৫) যে ভূমিকম্প তরঙ্গ তরল পদার্থের মধ্যে দিয়ে প্রবাহিত হতে পারে
:- P তরঙ্গ
৪৬) অ্যাসেথোনোস্ফিয়ার নামকরণ করেন
:- ব্যারেল
৪৭) কোন ভুকম্পিও তরঙ্গ আলোক তরঙ্গের ন্যায় গমন করে
:- S তরঙ্গ
৪৮) পৃথিবীর উৎপত্তি সম্পর্কিত প্রাচীনতম মানবাদটি
:- বুফনের মতবাদ
৪৯) ল্যাললাস এর মতবাদের নাম হল
:- নীহারিকা
৫০) পৃথিবীর উৎপত্তি সম্পর্কিত সর্বাধুনিক তত্ত্ব হলো
:- বিগ ব্যাংতত্ত্ব
৫১) পৃথিবীর সম্পর্কিত তথ্য সংগ্রহের ক্ষেত্রে মানুষ এখনো পর্যন্ত যে গভীরতা পর্যন্ত নমুনা সংগ্রহ করতে পেরেছে।
:- ৯০ কিমি
৫২) কোনটি ভু- অভ্যন্তরের তথ্য সংগ্রহের জন্য প্রত্যক্ষ উৎস নয়
:- ভূকম্প তরঙ্গ
৫৩)seismic intencity শব্দটি প্রথম ব্যবহার করেন
:- গুটেনর্বাগ ও রিখটার
৫৪) সাধারণত ভূমিকম্পের কেন্দ্রের গভীরতা হয়
:- ১৬ কিমি
৫৫)ভূমিকম্পের উপকেন্দ্র থেকে প্রতিপাদ উপকেন্দ্রে দূরত্ব সর্বদা হয়
:- ১৮০°
৫৬)পাথ সঞ্চালন তত্ত্ব সামনে আসার পর পৃথিবীর ভূ- অভ্যান্তরের বহু তথ্য সামনে আসছে, এই তথ্যটি কোন সময় সামনে আসে
:- ১৯৬০ খ্রিস্টাব্দে
৫৭)স্থিতিস্থাপক প্রত্যাঘাত তত্ত্ব আধুনিক ভূতত্ত্ববিদ্যার ভিত্তি তৈরি করে, এটি কার লেখা
:- হ্যারি ফিল্ডিং রিট
৫৮) এ যাবৎ কাল পর্যন্ত সবচেয়ে গভীরতম খনন কার্যটি হয় , কোলা উপদ্বীপের সেটি কোন খ্রিস্টাব্দের
:- ১৯৭০ খ্রিস্টাব্দে
৫৯) একটি ভূমিকম্প ছেদ অঞ্চলের উদাহরণ হল
:- ভারত মহাসাগরীয় অঞ্চল
৬০) যে ভূমিকম্প তরঙ্গ ভূকম্পন কেন্দ্র থেকে চারিদিকে ছড়িয়ে পড়ে এবং অবশেষে ভূপৃষ্ঠে ছড়িয়ে পড়ে তাকে বলে
:- দেহ তরঙ্গ
৬১) ভূমিকম্প কেন্দ্র থেকে আগত কোন তরঙ্গ প্রথমে ভূপৃষ্ঠের সিজমোগ্রাফ যন্ত্রে লিপিবদ্ধ হয়
:- প্রাথমিক বা P তরঙ্গ
৬২) ভূমিকম্প ছায়াবলায় সৃষ্টির জন্য মূলত দায়ী
:- P ও S তরঙ্গ
৬৩) ভূমিকম্পের কোন তরঙ্গ সর্বপ্রথম sismograph এ লিপিবদ্ধ হয়
:- P তরঙ্গ
৬৪) ভারতের প্রথম seismological station কোথায় স্থাপিত হয়েছিল
:- ২০০১ খ্রিস্টাব্দে লাটুর,
৬৫) মহারাষ্ট্র বর্তমানে ভারতে মোট কতগুলি seismological station আছে
:-১১৫টি
৬৬) ভূমিকম্প কেন্দ্রের বিপরীত দিকে P ও S তরঙ্গ বিহীন অঞ্চলকে বলা হয়
:- বেনি অফ অঞ্চল।
৬৭) গ্রানাইট শিলার উপর বি তরঙ্গের গতিবেগ কত
:- ১.৮ কি.মি /সেকেন্ড
৬৮) একটি ভূমিকম্পের আগে ঘুরতে পারে এমন ছোট ছোট কম্পনকে বর্ণনা করতে ব্যবহার শব্দটি হল
:- ফোর সক
৬৯) কোন ধরনের ভূমিকম্পে তরঙ্গের দৈর্ঘ্য ও স্থায়িত্ব বেশি
:- Lতরঙ্গ
৭০) L তরঙ্গ কি পৃষ্ঠ তরঙ্গ বলার কারণ
:- ভূপৃষ্ঠের সমান্তরালে প্রবাহিত হয়ে চারিদিকে ছড়িয়ে পড়ে
৭১) ভূমিকম্প তরঙ্গ কোন অভিমুখে প্রবাহিত হয়
:- সমস্ত দিকে।
৭২) ভূমিকম্প তরঙ্গ কি
:- প্রাকৃতিক বা অপ্রাকৃতিকভাবে
সৃষ্ট কম্পন যা শিলার মধ্যে দিয়ে পরিবাহিত হয়
৭৩) কোন অবস্থানে তরঙ্গ সর্বোচ্চ শক্তিতে পৌঁছায়
:-ভূমিকম্পের কেন্দ্রের উপর পৃষ্ঠা ৭৪) ভূমিকম্প কেন্দ্রীয় কি ধরনের তরঙ্গের মুক্তি ঘটে
:- P ও S তরঙ্গ
৭৫) প্রাথমিক তরঙ্গ পৃথিবীর পৃষ্ঠ কি কিভাবে প্রভাবিত করে?
:- প্রাথমিক তরঙ্গ পৃথিবীপৃষ্ঠের শিলা কে সংকুচিত ও প্রসারিত করে
৭৬) গৌণ তরঙ্গ শিলা কে কিভাবে আন্দোলিত করে?
:- শীলাকে অনুভূমিক ভাবে আন্দোলন করে।
৭৭)ভূমিকম্পের তরঙ্গ গুলির মধ্যে কোনটি সর্বাপেক্ষা ক্ষুদ্র তরঙ্গ
:- P তরঙ্গ
৭৮)ভূমিকম্পের ছায়া বলা এর কৌণিক দূরত্ব হলো
:- ১০৪ ডিগ্রি থেকে ১৪০ ডিগ্রি,
৭৯) কোন ভূমিকম্প তরঙ্গ পৃথিবীর কেন্দ্রমন্ডল কে প্রবেশ করতে পারে না
:- S তরঙ্গ
৮০) সর্বাধিক ঘনত্বের অধিকারী কোন স্তর :- কেন্দ্রমন্ডল
৮১) ভূপৃষ্ঠ থেকে পৃথিবীর কেন্দ্রের দিকে পদার্থ সমূহের ঘনত্ব
:- বৃদ্ধি পায়
৮২) শিয়াল ও সীমা কোন বিযুক্তি রেখা দ্বারা বিচ্ছিন্ন হয়েছে
:- কনরাড বিযুক্তি
৮৩) ভূঅভ্যন্তরের কোন স্তরকে নিফে বলে
:- কেন্দ্র মন্ডলকে
৮৪)ভু অভ্যন্তরের ১০০ কিমি গভীরতা পর্যন্ত উষ্ণতা প্রতি কিলোমিটারে কি হারে বৃদ্ধি পায়
:- ৩০°c
৮৫) পৃথিবীর গড় ঘনত্ব হল
:- ৫.৫ গ্রাম/সেমি³
৮৬)ভূত্বক ও গুরুমন্ডল এর মাঝে কোন বিযুক্তি রেখা রয়েছে
:- মোহ বিযুক্ত রেখা
৮৭) সবচেয়ে দ্রুতগামী ভূকম্পীয় তরঙ্গ হলো
:- P তরঙ্গ
৮৮) P তরঙ্গের বৈশিষ্ট্য হল
:-সর্বাধিক দ্রুত গতি সম্পন্ন
৮৯) P ও S তরঙ্গ অপেক্ষা এর তরঙ্গ কম শক্তিশালী তাহলে L তরঙ্গ দ্বারা ক্ষয়ক্ষতি অধিক হওয়ার কারণ
:- সবকটি
৯০) যে সকল তরঙ্গ ভূঅন্তরের উৎপত্তি হয়ে ভূগর্ভের বিভিন্ন পদার্থের মধ্য দিয়ে ভূপৃষ্ঠের এসে পৌঁছায় সেই তরঙ্গ গুলিকে দেহ তরঙ্গ বলে যেমন P ও S তরঙ্গ এই দেহ তরঙ্গের সাহায্যে
৯১) ভূ অভ্যন্তরে যে বিষয় সম্বন্ধে জানা যায় তা হলো
:- ভূঅভ্যন্তরের গঠন ও ভূঅভ্যন্তরের স্তরবিন্যাস বিভিন্ন পদার্থের প্রকৃতি ইত্যাদি জানা যায়
৯২) কেন্দ্রমন্ডল সম্পর্কিত সঠিক বিষয় নয় কোনটি
:-কেন্দ্রমন্ডলের উপরের রয়েছে
ল্যেমান বিযুক্তি
৯৩)নিচের কোনটি পৃথিবীর অভ্যন্তরের বৈশিষ্ট্য নয়
:- ভূত্বক থেকে যত গভীরে যাওয়া যায় ততই কঠিন থেকে তরল উত্তপ্ত পদার্থ পাওয়া যায় কেন্দ্র পর্যন্ত।
Comments
Post a Comment