'রাধারাণী' গল্পের রাধারাণীর চরিত্রটি বর্ণনা কর ক্লাস ix bangla

 




1) 'রাধারাণী' গল্পের রাধারাণীর চরিত্রকে যেভাবে পাওয়া যায় তা নিজের ভাষায় আলোচনা করো:-

FIROZ MALLICK 




উত্তর রাধারাণী চরিত্র: সাহিত্যসম্রাট বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় রচিত 'রাধারাণী' উপন্যাসের অংশবিশেষ আমাদের পাঠ্য 'রাধারাণী' গল্পাংশটি। এই অংশে তার চরিত্রের যে বৈশিষ্ট্যগুলি প্রকাশ পায়, সেগুলি হল-


i )কর্তব্যপরায়ণ


ii)কৃতজ্ঞতাবোধ


iii)নির্লোভ


iv)নীতিবোধ


v)সেবাপরায়ণা


i)কর্তব্যপরায়ণ: রাধারাণীর পরিবারে মা ছাড়া আর কেউ না থাকায় রুগ্ম মায়ের পথ্যের প্রয়োজনে সে তার বুদ্ধিমতো বনফুলের মালা গেঁথে রথের মেলায় বিক্রি করতে যায়।


ii)কৃতজ্ঞতাবোধ: যে অপরিচিত ব্যক্তি দুর্যোগের মধ্যে তার হাত ধরে বাড়ি পৌঁছে দিয়েছে, তার কাছ থেকে মালার মূল্য নিতে রাধারাণীর ইচ্ছা ছিল না; একান্ত বাধ্য হয়েই তাকে মালার মূল্য নিতে হয়।


iii)নির্লোভ: অপরিচিত ব্যক্তি মালার মূল্যস্বরূপ চার পয়সা তার হাতে দিলেই তার সন্দেহ হয়- “এ কি পয়সা? এ যে বড়ো বড়ো ঠেকছে।” ওই ব্যক্তিকে দাঁড় করিয়ে সে আলো জ্বেলে সন্দেহমুক্ত হতে চায় এবং আলোতে যখন সে দেখল সেটা পয়সা নয় টাকা তখন সে দ্বিধাগ্রস্ত হয়। লোভীর মতো সে অতিরিক্ত মূল্য নিতে চায়নি।


iv)নীতিবোধ: অপরিচিত ব্যক্তি একখানা নোট তাদের ঘরে ফেলে দিয়ে গেলেও তারা সেটি খরচ করেননি; বরং ওই নোটের উপরে লেখা নামের মালিককে খোঁজ করে ফিরিয়ে দিতে চেয়েছিল।


v)সেবাপরায়ণা: মালা বিক্রির টাকায় মায়ের পথ্য জোগাড় করতে সে নিজে বাজারে গিয়েছে, রান্না করে মাকে খেতে দিয়েছে। এ থেকে বোঝা যায় সংসারের কাজকর্ম ও সেবাকাজে রাধারাণী যথেষ্ট আন্তরিক ছিল।



Comments

Popular posts from this blog

বঙ্গভঙ্গ - বিরোধী আন্দোলনে ছাত্র সমাজের ভূমিকা লেখ madhymik history suggestions madhymik history suggestions

সমস্থিতি সম্পর্কে প্র‍্যাটের মতবাদ আলোচনা কর

মধ্যযুগে বাংলার সমাজ ও সাহিত্য প্রাচীন বাংলার সমাজ ও সাহিত্য