চ্যুতি বা FAULT All MCQ & SAQ Question ucchomadhymik vugol suggestions HS geography Suggestions Geography

 

                          চ্যুতি/FAULTING

1. সাধারণত চ্যুতি হল-- শিলাস্তরে সৃষ্ট ফাটল বরাবর দু'দিকের শিলাখণ্ডের আপেক্ষিক স্থানান্তরকে বোঝায়।

 2. শিলাস্তরে প্রসারণ বলের ফলে প্রধানত চ্যুতির সৃষ্টি হয়। 

সাধারণত গ্রানাইট শিলাস্তরে চ্যুতি দেখা যায়।

3. বেশিরভাগ চ্যুতির সৃষ্টি হয় :- উলম্বভাবে ক্রিয়া করা মহীভাবক আলোড়ন এর ফলে। 


4. পৃথিবীর সর্ববৃহৎ চ্যুতির নাম হল:- আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ার সান আন্দ্রিজ চ্যুতি। 


5. চ্যুতি দ্বারা সৃষ্ট পৃথিবীর বৃহত্তম প্রস্ত উপত্যকা হল -- পূর্ব আফ্রিকার গ্রস্ত উপত্যকা ।


6. চ্যুতিতলের উপরে অবস্থিত শিলাস্তূপ কে বলে— ঝুলন্ত প্রাচীর বা ঊর্ধ্বস্তুপ।


7. চ্যুতিতলের নীচে অবস্থিত শিলাস্তূপকে বলে—- পাদমূল প্রাচীর বা অধঃস্তুপ।


৪. শিলাস্তরের প্রসারণ বলের প্রভাবে :- স্বাভাবিক চ্যুতির সৃষ্টি হয়।

9. শিলাস্তরের সংকোচন বলের প্রভাবে:- বিপরীত চ্যুতির সৃষ্টি হয়। -


10. যে তল বরাবর শিলার ফাটলের অংশ উপরে বা নিচে ওঠানামা করে তাকে:- চ্যুতি তল বলে। 

11. চ্যুতিতল অনুভূমিক তলের সাথে যে কোণে হেলে অবস্থান করে তাকে:- চ্যুতিতলের নতি বলে।


12. অনুভূমিক তলের সঙ্গে চ্যুতিতল যে কোণে হেলে থাকে, তাকে বলে চ্যুতিতলের নতি।


13. চ্যুতিতল ও অনুভূমিক তল যে রেখা বরাবর পরস্পরকে ছেদ করে, তাকে চ্যুতির আয়াম বলে। 


14. চ্যুতি তল এর সাথে আয়্যাম সবসময় :- 90° ডিগ্রি কোণে অবস্থান করে।


15. নতি ভেক্টর রাশি এবং এর একক ডিগ্রী। 

আয়াম স্কেলার রাশি এবং এর একক কিলোমিটার। 


16. অমসৃণ কোনযুক্ত চ্যুতিতলকে বলে চ্যুতি ব্রেকসিয়া। চ্যুতির নতির পরিপুরক কোণকে বলে – চ্যুতিকোণ। ।


17. যে অনুভূমিক রেখা বরাবর চ্যুতি সংঘটিত হয়, তাকে বলে চ্যুতিরেখা 


18. চ্যুতিতল বরাবর শিলাস্তরের অনুভূমিক দূরত্বকে ব্যবধি বা হিভ বলে।


19. চ্যুতির স্থানচ্যুত অংশের উলম্ব ব্যবধানকে ক্ষেপ বা থ্রো বলে।

 20. চ্যুতির নতি ডিগ্রি এককে মাপা হয় এবং ক্লাইমোমিটার যন্ত্র দিয়ে।


21. চ্যুতিতল বরাবর ঘর্ষণের ফলে সৃষ্ট আঁচড়কাটা দাগকে বলে স্লিকেনসাইড


22. চ্যুতিতল বরাবর উর্ধ্বস্তূপ নিচের দিকে এবং অধস্তূপ উপর দিকে অবস্থান করলে তাকে স্বাভাবিক চ্যুতি বলে। 

23. স্বাভাবিক চ্যুতি অভিকর্ষজ টানকে অনুসরণ করে সংগঠিত হয়ে থাকে বলে একে অভিকর্ষজ চ্যুতি বলা হয় ।


24. বিলোম চ্যুতির ক্ষেত্রে ঊর্ধ্বস্তুপটি অভিকর্ষ বলের বিপরীতে উপরে উঠে যায় বলে একে বিপরীত চ্যুতি বলে। 

25. কোন বিপরীত চ্যুতির চ্যুতিতলের নতি যদি 45 ডিগ্রির কম হয় তাকে থ্রাস্ট চ্যুতি বলে।


26. সংঘট্ট চ্যুতির থ্রাস্ট তল বরাবর শায়িত ভাঁজের এক বাহু অন্য বাহু থেকে প্রায় দেড় কিমি বা তার বেশি বিচ্ছিন্ন হলে তাকে বলে ন্যাপ বলে। 

*সংঘট্ট চ্যুতিযুক্ত অঞ্চলে ক্ষয়ের ফলে ন্যাপের স্থানান্তরকে ক্লিপে বলে। 

27. বিলোম চ্যুতির চ্যুতিতলের নতি 10° এর কম হলে তাকে উদঘট্ট চ্যুতি বলে।


28. সোপান চ্যুতি সিঁড়ির ধাপের মতো দুদিক থেকে নেমে সরু পরিখা গঠন করলে, তাকে পরিখা চ্যুতি বলে । 

29. জার্মানির রাইন নদী-উপত্যকায় সোপান ও পরিখা চ্যুতি একসঙ্গে দেখা যায়।


30. ছিন্ন চ্যুতিতে আয়াম এর সমান্তরালে শিলার স্খলন ঘটে। বিপরীত চ্যুতিতে চ্যুতির ঊর্ধ্ব স্তূপের উন্থন ঘটে। 


31. দুটি সমান্তরাল চ্যুতির মধ্যবর্তী ভূমি বসে গিয়ে :- গ্রস্ত উপত্যকা (নর্মদা গ্রস্ত উপত্যকা -ভারত) সৃষ্টি করে


32. গ্রাবেন :- বৃহৎ গ্রস্ত উপত্যকাগ্রেট রিফট ভ্যালি :- পৃথিবীর বৃহত্তম গ্রস্ত উপত্যকা। 


33. দুটি সমান্তরাল চ্যুতির মধ্যবর্তী উচ্চভূমি কে হোর্স্ট বলে। ভারতের বিন্ধ, সাতপুরা পর্বত, জার্মানির ব্ল্যাক ফরেস্ট।


34. চ্যুতি সৃষ্টির পর ঊর্ধ্বস্তূপ ও অধঃস্তূপ এর মাঝখানে যে খাড়া দেওয়াল প্রকাশিত হয় তাকে চ্যুতি ভৃগু বলে।


35. চ্যুতিরেখার দুপাশে কঠিন ও নরম শিলা মুখোমুখি অবস্থান ও ক্ষয়ের ফলে, প্রাথমিক ভৃগুর কিছুটা ক্ষয় পায় ও চ্যুতিরেখা বরাবর নতুন ভৃগুর সৃষ্টি করলে, একে চ্যুতিরেখা ভৃগু বলে


36. যেদিক মুখ করে চ্যুতি ভিগু সৃষ্টি হয়েছিল, ক্ষয়কার্যের পরেও সেই দিকে থাকলে পুনর্ভবা চ্যুতি রেখা বলে। 

37. যেদিক মুখ করে চ্যুতি ভৃগু সৃষ্টি হয়েছিল, ক্ষয়কার্যের পরে বিপরীতে থাকলে বিপরা চ্যুতিরেখা ভৃগু বলে।


38. কোন ভৃগু অর্ধেক ক্ষয় এবং অর্ধেক ভূ-আলোড়নের ফলে সৃষ্টি হলে তাকে বিমিশ্র চ্যুতিরেখা ভৃগু বলে

 39. দুটি সমান্তরাল চ্যুতির মধ্যবর্তী নিচু স্থানের দু'পাশের ভূমিভাগ উঠেগিয়ে সৃষ্ট উপত্যকা হল :- র‍্যাম্প উপত্যকা।













Comments

Popular posts from this blog

বঙ্গভঙ্গ - বিরোধী আন্দোলনে ছাত্র সমাজের ভূমিকা লেখ madhymik history suggestions madhymik history suggestions

সমস্থিতি সম্পর্কে প্র‍্যাটের মতবাদ আলোচনা কর

মধ্যযুগে বাংলার সমাজ ও সাহিত্য প্রাচীন বাংলার সমাজ ও সাহিত্য